• লাইভ টিভি
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • বিনোদন
প্রয়াণ দিনে স্মরণ

রুপালি গিটার ফেলে দূরে, বহু দূরে আইয়ুব বাচ্চু

বিনোদন ডেস্ক
  ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নিজের স্বপ্নকে জয় করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। গিটার হাতে মঞ্চ মাতিয়ে, সহজ কথায় জীবনের সুখ, দুঃখ, প্রেম ও বিরহকে সুরে বেঁধে জয় করেছিলেন শ্রোতার হৃদয়। তার কণ্ঠের গান আর গিটারের মূর্ছনা আজও আবেগের অংশ। অথচ যে মানুষ গানে গানে বিদায়ের কথা বলেছিলেন, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে সত্যিই তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

‘এই রুপালি গিটার ফেলে একদিন চলে যাব দূরে, বহু দূরে।’ গানটি শুনলে আজও অনেক শ্রোতার মনে ভেসে ওঠে আইয়ুব বাচ্চুর মুখ। গিটার হাতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিল্পী, যার আঙুলের ছোঁয়ায় তারগুলো থেকে বেরিয়ে আসত কখনো উচ্ছ্বাস, কখনো বিষাদ, কখনো আবার দুরন্ত প্রতিবাদের সুর। তার গানের কথায় মানুষ খুঁজে পেয়েছে নিজের জীবনের গল্প, নিজের না বলা অভিমান, নিজের হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা।

ছবি : সংগৃহীত

বাংলা ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে আইয়ুব বাচ্চু কেবল একজন গায়ক কিংবা গিটারবাদক নন। তিনি ছিলেন এমন এক সংগীতশিল্পী, যিনি গিটারকে নিজের পরিচয়ের কেন্দ্রে রেখেছিলেন। সেই গিটারই তাকে ঘরছাড়া করেছে, সংগীতের পথে নামিয়েছে, আবার পৌঁছে দিয়েছে জনপ্রিয়তার শিখরে। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে থেমে যায় এক শিল্পীর জীবনযাত্রা। কিন্তু তার গানের পথচলা থামেনি।

গিটারের টানেই শুরু পথচলা

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম আইয়ুব বাচ্চুর। পারিবারিক ডাকনাম ছিল রবিন। তার বাবা ইশহাক চৌধুরী ও মা নুরজাহান বেগম। পরিবারের কেউ সংগীতের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল তার। গিটারের প্রতি ছেলের ভালোবাসা বুঝতে পেরে ১৯৭৩ সালে বাবা তাকে একটি গিটার কিনে দেন। সেই গিটারই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সঙ্গী।

গিটার বাজানোর নেশা থেকেই শুরু হয় তার সংগ্রাম। সত্তরের দশকে অর্থের অভাবে অন্যের গিটার ভাড়া করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাজাতে যেতেন তিনি। নিজের মুখেই একসময় বলেছিলেন, ‘গান নয়, গিটার আমাকে ঘরছাড়া করেছিল।’ একটি বন্ধুর কাছ থেকে ডিসকো কোম্পানির গিটার দৈনিক ৩০ টাকা ভাড়ায় নিয়ে শো করতেন। ভাড়া মিটিয়ে হাতে যা থাকত, তা দিয়েই চলত দিন।

শুরুর সেই দিনগুলো সহজ ছিল না। তবে গিটারের প্রতি গভীর ভালোবাসা আর সংগীতের প্রতি একাগ্রতা তাকে এগিয়ে নিয়েছে। কলেজজীবনে বন্ধুদের সঙ্গে গড়ে তোলেন ‘গোল্ডেন বয়েজ’ নামের একটি ব্যান্ড। স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান করত দলটি। পরে সংগীতজীবনের শুরুতে তিনি যুক্ত হন ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের সঙ্গে। ফিলিংসের সঙ্গে থাকার সময়ই গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর লেখা ‘হারানো বিকেলের গল্প’ গানে প্রথম কণ্ঠ দেন তিনি।

এরপর ১৯৮০ সালে যোগ দেন ‘সোলস’ ব্যান্ডে। প্রায় এক দশক এই দলের সঙ্গে কাজ করেন আইয়ুব বাচ্চু। এই দীর্ঘ সময়ে গিটারবাদক হিসেবে নিজের দক্ষতা শাণিত করার পাশাপাশি গায়ক হিসেবেও পরিচিতি পেতে থাকেন তিনি। তবে তার স্বপ্ন ছিল নিজস্ব সংগীতভুবন তৈরি করার। সেই স্বপ্ন থেকেই ১৯৯১ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড, এলআরবি।

প্রথমে দলটির নামের পূর্ণরূপ ছিল ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’। একই নামে অস্ট্রেলিয়ায় আরেকটি ব্যান্ড থাকায় পরে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’। ১৯৯১ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কনসার্ট করে এলআরবি। পরের বছর প্রকাশিত হয় দলটির প্রথম দুটি অ্যালবাম, ‘এলআরবি ১’ ও ‘এলআরবি ২’। এরপর ‘সুখ’ অ্যালবামের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পায় ব্যান্ডটি।

যে গান হয়ে উঠেছে মানুষের নিজের গল্প

আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয়তার রহস্য খুঁজতে গেলে প্রথমেই আসে তার গানের কথা ও সুরের কথা। প্রেম, বিরহ, অভিমান, একাকিত্ব, জীবনের টানাপোড়েন কিংবা হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট, মানুষের অনুভূতির এমন অনেক দিক উঠে এসেছে তার গানে। তার কণ্ঠে সেসব অনুভূতি পেয়েছে আলাদা মাত্রা। শ্রোতারা তাই কেবল তার গান শোনেননি, গানের ভেতরে নিজেদেরও খুঁজে পেয়েছেন।

‘ও বন্ধু তোমায়’ গানটি তাকে শ্রোতাদের কাছে পরিচিত করে তোলে। একক অ্যালবাম ‘ময়না’ থেকে গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরে ‘সুখ’ অ্যালবামের ‘চলো বদলে যাই’ গানটি হয়ে ওঠে বাংলা ব্যান্ডসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় গান। ‘কষ্ট’ অ্যালবামের ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘অবাক হৃদয়’ ও ‘কষ্ট কাকে বলে’ গানগুলোও শ্রোতাদের মুখে মুখে ফিরেছে।

ছবি : সংগৃহীত

আবার ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’ গানে যেন ধরা পড়ে মানুষের অন্তর্লীন নিঃসঙ্গতা। হাসিখুশি মুখের আড়ালে জমে থাকা কষ্ট, নিজের কথা কাউকে বোঝাতে না পারার যন্ত্রণা কিংবা দুঃখের সময়ে কাছের মানুষকে পাশে না পাওয়ার অভিজ্ঞতা, এসব অনুভূতি গানটিকে শ্রোতার ব্যক্তিগত গল্পের অংশ করে তুলেছে। গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলীর কথায় আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে গানটি হয়ে উঠেছে বহু মানুষের মনের কথা।

একইভাবে ‘ফেরারি এই মনটা আমার’, ‘মনে রেখো তুমি’, ‘মেয়ে তুমি কি দুঃখ চেনো’, ‘আমি ১২ মাস তোমায় ভালোবাসি’, ‘এক আকাশের তারা তুই একা গুনিস নে’ এবং ‘আর বেশি কাঁদালে উড়াল দেব আকাশে’ গানগুলোও শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাসাবাড়ির আনন্দ আয়োজন থেকে শুরু করে বড় মঞ্চের কনসার্ট, নানা পরিবেশে বাজতে শোনা যায় তার গান। এক প্রজন্মের পছন্দের গান হয়ে থাকা অনেক সৃষ্টি পরের প্রজন্মের কাছেও সমান আবেদন ধরে রেখেছে।

আইয়ুব বাচ্চুর গানের আরেকটি বড় শক্তি ছিল সহজ ভাষা ও মায়াময় সুর। গিটারের দক্ষতা, স্বতন্ত্র গায়কী এবং জীবনঘনিষ্ঠ কথার সমন্বয়ে তিনি নিজের আলাদা সংগীতভাষা তৈরি করেছিলেন। তার গান কখনো মানুষকে কষ্ট ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে, কখনো আবার পুরোনো ক্ষতকে নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই হয়তো তার গান কেবল বিনোদনের মধ্যে আটকে থাকেনি, হয়ে উঠেছে মানুষের জীবনের অংশ।

গিটারের সুরে দেশপ্রেম

আইয়ুব বাচ্চুর সংগীতে প্রেম ও বিরহের পাশাপাশি ছিল দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা। ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামের গানে তিনি দেশকে দেখেছেন স্বপ্ন, ভালোবাসা ও অনুভূতির জায়গা থেকে। দেশের প্রতি মমত্ববোধ তার কাছে কেবল গানের বিষয় ছিল না, ছিল ব্যক্তিগত বিশ্বাসেরও অংশ।

একবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশের অপমানের প্রসঙ্গ সামনে এলে গিটার সেন্টারের ব্যবস্থাপকের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, ‘যে গিটারের জন্য দেশ অপমানিত হয়, সেই গিটার আইয়ুব বাচ্চু দ্বিতীয়বার বাজায় না।’ ঘটনাটি তার দেশপ্রেমের দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরে।

দেশের প্রতি ভালোবাসা তার গানে কখনো মমতা, কখনো অভিমান, কখনো প্রতিবাদের ভাষা পেয়েছে। সংগীতের আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজের পরিচয় তৈরি করলেও শিকড়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর। তার কাছে বাংলাদেশ ছিল ভালোবাসার জায়গা, অনুভূতির জায়গা, নিজের অস্তিত্বের অংশ।

একক অ্যালবাম থেকে চলচ্চিত্রের গান

ব্যান্ডের বাইরে একক শিল্পী হিসেবেও আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সমান জনপ্রিয়। তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্ত গোলাপ’ প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। পরে ‘ময়না’, ‘কষ্ট’, ‘সময়’, ‘একা’, ‘প্রেম তুমি কি!’, ‘দুটি মন’, ‘কাফেলা’, ‘প্রেম প্রেমের মতো’, ‘পথের গান’, ‘ভাটির টানে মাটির গানে’, ‘জীবন’, ‘সাউন্ড অব সাইলেন্স’, ‘রিমঝিম বৃষ্টি’, ‘বলিনি কখনো’ ও ‘জীবনের গল্প’সহ একাধিক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। তার একক অ্যালবামের সংখ্যা ১৬ বলে উল্লেখ করা হয়।

এলআরবির অ্যালবামগুলোর মধ্যেও রয়েছে জনপ্রিয়তার দীর্ঘ তালিকা। ‘এলআরবি ১’ ও ‘এলআরবি ২’ প্রকাশের পর ‘সুখ’, ‘তবুও’, ‘ঘুমন্ত শহরে’, ‘ফেরারি মন’, ‘স্বপ্ন’, ‘আমাদের বিস্ময়’, ‘মন চাইলে মন পাবে’, ‘অচেনা জীবন’, ‘মনে আছে নাকি নেই’, ‘স্পর্শ’ ও ‘যুদ্ধ’ অ্যালবামগুলো প্রকাশিত হয়। নব্বইয়ের দশকে ফিলিংস ও এলআরবি যৌথভাবে ‘ক্যাপসুল’ ও ‘স্ক্রু ড্রাইভার’ নামে দুটি মিশ্র অ্যালবামেও কাজ করে।

ছবি : সংগৃহীত

চলচ্চিত্রের গানেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। কাজী হায়াতের ‘লুটতরাজ’ ছবির ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’ গানটিতে কনকচাঁপার সঙ্গে কণ্ঠ দেন তিনি। পরে ‘আম্মাজান’ ছবির ‘আম্মাজান আম্মাজান তুমি বড়ই মেহেরবান’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গানটি আজও বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানের তালিকায় জায়গা করে আছে। ‘লাল বাদশা’, ‘গুন্ডা নাম্বার ওয়ান’, ‘ব্যাচেলর’, ‘রং নাম্বার’, ‘চাঁদের মতো বউ’, ‘চোরাবালি’, ‘টেলিভিশন’ ও ‘এক কাপ চা’সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্রের গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

অপূর্ণ থেকে যাওয়া স্বপ্নের কনসার্ট

মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর উপস্থিতি ছিল অন্য রকম। গানের পাশাপাশি গিটারের অনন্য পরিবেশনা দিয়ে তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করতেন। কনসার্টে তার গিটার বাজানো ছিল শ্রোতাদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। দেশজুড়ে অসংখ্য মঞ্চে গান গাইলেও তার মনে ছিল আরও বড় একটি আয়োজনের স্বপ্ন।

এক সাক্ষাৎকারে নিজের স্বপ্নের কনসার্টের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আয়োজনের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। সেখানে দেশি ও বিদেশি শিল্পীদের সঙ্গে এক মঞ্চে বাজাতে চেয়েছিলেন। বিদেশি শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন মার্কিন গায়ক ও গিটারবাদক স্টিভ ভাই, জো সাত্রানি, কার্লোস সান্টানা এবং ব্রিটিশ ড্রামার আয়েন পেজ। দেশীয় শিল্পীদের মধ্যে তিনি চেয়েছিলেন জেমস, বেজবাবা সুমন ও মানাম আহমেদকে।

স্বপ্নের সেই আয়োজন নিয়ে তার কল্পনাও ছিল বিশাল। তিন ঘণ্টার পরিবেশনা, আর দর্শকসংখ্যা ১৫ লাখ। আইয়ুব বাচ্চুর ভাষায়, এমন আয়োজনই হতো তার স্বপ্নের কনসার্ট। কিন্তু জীবদ্দশায় সেই স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি তিনি।

গিটার নিয়ে তার আরেকটি বড় স্বপ্ন ছিল একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। সেখানে ছেলে-মেয়েরা গিটারসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখবে। পরে সেখান থেকে একক শিল্পী কিংবা ব্যান্ড তৈরি হবে, যারা বাংলা গানে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবে। সংগীতকে ঘিরে নতুন প্রজন্মের জন্য এমন একটি পরিসর গড়ে তোলার ইচ্ছা থাকলেও সেটিও বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি এই শিল্পী।

বিদায়ের পরও বেঁচে আছে গান

আইয়ুব বাচ্চু নিজেকে গিটারবাদক হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি ভালোবাসতেন। কিন্তু গিটার হাতে শুরু হওয়া সেই যাত্রা তাকে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও ব্যান্ডনেতা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাংলা ব্যান্ডসংগীতে রক, হার্ড রক ও ব্লুজের মতো ধারাকে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তার কাজের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের অনেক সংগীতশিল্পী অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৬ বছর বয়সে মারা যান আইয়ুব বাচ্চু। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত হন ভক্ত, সহকর্মী ও সংগীতাঙ্গনের মানুষ। তবে মৃত্যুর পরও তার গানের প্রতি শ্রোতাদের ভালোবাসা কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে তাঁর সৃষ্টি নতুন করে আবিষ্কার করছেন বিভিন্ন প্রজন্মের মানুষ।

২০২৬ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। জন্মশহর চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ে তার স্মরণে স্থাপন করা হয়েছে গিটার ভাস্কর্য। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিল্পীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।

আরও পড়ুন

নিলয়-হিমির ‘প্রথম প্রেমের গল্প’ নাটক নিয়ে তুমুল বিতর্ক

দেবকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, আইনি নোটিসে জবাব!

পূজার আনন্দে অজয়-কাজলের পরিবারে অঘটন!

সেই বিকৃত ভিডিও নিয়ে যা বললেন পরীমনি

গানে গানে আইয়ুব বাচ্চু একদিন চলে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই বিদায় সত্যি হয়েছে, কিন্তু তার গিটার থেমে যায়নি। ‘রুপালি গিটার’ আজও বাজে শ্রোতার স্মৃতিতে, ভালোবাসায়, বিরহে, আনন্দে কিংবা নিঃসঙ্গ রাতের নীরবতায়। তিনি নেই, অথচ তার গান আছে। আর সেই গানেই বারবার ফিরে আসেন বাংলা ব্যান্ডসংগীতের এই কিংবদন্তি, গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু।

/অ

  • আইয়ুব বাচ্চু
  • রুপালি গিটার
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।